
নিজস্ব প্রতিনিধি:
দেশব্যাপী আলোচিত অপ্রতিম হত্যার পর কুমিল্লাসহ সারাদেশে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। ইতি মধ্যে কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার ১৮টি থানায় তিন দফা অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৬৭৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
এদিকে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করে একটি নিরপরাধ কিশোরদের নাম জড়িয়ে গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার চাঙ্গিনী দক্ষিণ মোড়ে এলাকাবাসী সংবাদ সম্মেলন ডেকে এ অভিযোগ করেন অভিভাবকরা।
তাদের অভিযোগ, কুমিল্লা সিটি কপোরেশনের ২৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আলমগীরের ভাই আমির হোসেন সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্যদিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছেন। পূর্বশত্রুতার জেরে তিনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে অনূর্ধ্ব ১৮ দলের খেলোয়া মো. আলী সায়মন (রুবেল), তার জেঠাতো ভাই মোহাম্মদ হানজালা ও মো. সোহাগ রানাকে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও চাঁদাবাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যা কোন ভাবেই সত্য নয়। আমরা এলাবাসী ও অভিভাবকরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এর আগে ২০২০ সালের ১০ জুলাই সোহাগ রানা বাবা আক্তার হোসেনকে নৃশংস ভাবে হত্যার অভিযোগ রয়েছে কাউন্সিলর আলমগীর ও আমির হোসেন গংদের বিরুদ্ধে। মুলত ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলী সায়মন (রুবেল), মোহাম্মদ হানজালা ও মো. সোহাগ রানাকে কিশোর গ্যাং বানানোর চেষ্টা করেন তারা।
সংবাদসম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোহাম্মদ হানজালার পিতা মনির হোসেন। এ সময় রুবেলের পিতা জাকির হোসেন, স্থানীয় লুৎফর রহমান, হাজী আমির আলী, মহিম উদ্দিন, মো. হিরণ ও চাঙ্গিনী দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদের ইমাম শহিদুল ইসলাম সহ অর্ধশতাধিক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে আমির হোসেনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। যার কারণে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আপনার মতামত লিখুন :