ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০

কুমিল্লার মানুষের ভালো থাকা নিশ্চিত করতেই দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত বললেন এমপি বাহার

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৭ ১৮:০৯:৫১ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৭ ১৮:১১:৫৬

অনলাইন ডেস্কঃ

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের এ সময়টিতে কুমিল্লার মানুষের ভালো থাকা নিশ্চিত করতেই ঈদ-উল-ফিতর পর্যন্ত সকল দোকান পাট ও শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাইনা ওপেন মার্কেটিংয়ে এসে রোগটি ঘরে নিয়ে যান। কুমিল্লার মানুষ যেনো পরিবার-পরিজন ও বাচ্চাদের নিয়ে ভালো থাকতে পারে সেজন্যই দোকান মালিক সমিতিকে এ সিদ্ধান্ত দিয়েছি।

এমপি বাহার গতকাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের একথা জানান।

তিনি বলেন, কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতিক উল্লাহ খোকনের সাথে আলাপ করেছি দোকানপাট বন্ধ রাখার জন্য। কুমিল্লাতে মার্কেটগুলো খোলার কোন সুযোগ নেই। এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি। গত ২৯ এপ্রিল থেকে আমরা করোনার পরীক্ষা শুরু করেছি। প্রচুর রোগী বের হচ্ছে-আরো রোগী বের হবো। তাই আমরা চাইনা যে ওপেন মার্কেটিংয়ে এসে রোগটি ঘরে নিয়ে যাওয়ার জন্য। যাতে মানুষ বাচ্চাদের নিয়ে ভালো থাকতে পারে সেজন্য দোকান মালিক সমিতিকে এ সিদ্ধান্ত দিয়েছি।

এ বিষয়ে কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কুমিল্লার কাগজকে জানান, আমাদের এই সিদ্ধান্ত, সকলের সিদ্ধান্ত। আমরা কোন ব্যবসায়ীর লাশ কাঁধে নিতে চাই না। আমরা যদি অপেক্ষা করি আমাদের সুদিন আসবেই। আমরা ব্যবসা করতে পারবো। আমরা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে কুমিল্লার দোকান কর্মচারি বা অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা অবশ্যই করবো।

কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। অনেক ব্যবসায়ীরাও তাৎক্ষনিক এই সিদ্ধান্তে একমত পোষণ করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির এই সিদ্ধান্তের চিঠি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে। সেখানে অনেকেই এই চিঠি শেয়ার করে দোকান মালিক সমিতি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

সরকারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জনসাধারণের প্রয়োজন অনুপাতে রাষ্ট্রীয় ভাবে ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে সীমিত পরিসরে দোকানপাট খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। কিন্তু তুলনামূলক ভাবে কুমিল্লায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের হার বিবেচনা করে সাধারণ মানুষকে ঝূঁকিমুক্ত রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।