ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১

চৌদ্দগ্রামে ইরি-বোরোর বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে সোনালী হাসি

প্রকাশ: ২০২১-০৪-২১ ১০:০২:০৬ || আপডেট: ২০২১-০৪-২২ ০২:২৪:০০

 

মোঃ শাহীন আলম, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি অর্জিত হয়েছে। উপজেলার ১২ হাজার হেক্টরে ইরি-বোরোর লক্ষ্য মাত্রা নিয়ে আবাদ করা হলেও তার থেকে ২৪৫ হেক্টর জমিতে বেশি জমিতে ফলন হয়েছে। এরমধ্যে ২ হাজার চাষির মধ্যে বোরো প্রণোদনা বীজ প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাসহ উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ইরি-বোরো আবাদ করা হয়। কিন্তু আবওয়া ভালো থাকা, সঠিক সময়ে সেচ পানি পাওয়ায় এবং কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক দিক নির্দেশনায় উপজেলা জুড়ে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ২৪৫ হেক্টর জমিতে বেশি ফলন হয়েছে। এরমধ্যে পুরো উপজেলাজুড়ে ২ হাজার কৃষকের মধ্যে বোরোর বীজ প্রণোদনা দেয়া হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান। তবে কৃষকদের আশঙ্কা, ধান কাটার সময় শ্রমিক সঙ্কটে পড়তে পারে তারা। ফলে বাম্পার ফলন হলেও শ্রমিক সঙ্কটের কারণে তারা এ সোনালী ঘরে তুলতে বিড়ম্বনার শিকার হতে পারে।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, সঠিক সময়ে যেন কৃষক ইরি-বোরো ঘরে তুলতে পারে শ্রমিক সঙ্কট নিরসনের লক্ষ্যে উত্তরবঙ্গ থেকে ইতোমধ্যে ২২ জন শ্রমিক আনা হয়েছে। আরও শ্রমিক আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়াও আধুনিক যন্ত্র হিসেবে ধান কাটার জন্য আমাদের রয়েছে ৬টি কম্পাইন হারভেস্টার মেশিন। আবহাওয়া ঠিক থাকলে আমি আশা করছি-সঠিক সময়ের মধ্যে কৃষক তার সোনালী ফসল ঘরে তুলতে পারবে।

উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের কৃষক আবদুল হাদি জানান, ‘আল্লাহর রহমতে এবার ইরি-বোরো ফসল ভালো হয়েছে। আমরা সঠিক সময়ে সেচ পানি পেয়েছি এবং কৃষি কর্মকর্তারা সব সময় আমাদেরকে পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করাতে অনেক উপকৃত হয়েছি’।