ঢাকা, আজ বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১

টাউন হল ভেঙে আধুনিক টাউন হল নির্মাণের দাবি – গণশুনানিতে বিশিষ্টজনরা

প্রকাশ: ২০২০-১২-১৯ ১৫:৫৪:০৩ || আপডেট: ২০২০-১২-১৯ ১৫:৫৪:০৩

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন (টাউন হল) পুরাকীর্তি হবে কী হবে না- এ নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর প্রায় ২টা পর্যন্ত টাউন হল মাঠে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ওই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীরের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া শুনানিতে মোট ৩৭ জন বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এদের কেউই টাউন হল পুরাকীর্তি হওয়ার পক্ষে কথা বলেননি। সবাই এটিকে ভেঙে আধুনিকায়নের পক্ষেই মতামত দেন। তাদের মধ্যে কুমিল্লা সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল আহসান পাখী, মুক্তিযোদ্ধ সংসদ- কুমিল্লা জেলা কমান্ডার শফিউল আলম বাবুল, সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি জহিরুল হক দুলাল, কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি হাসান ইমাম ফটিক, নারী নেত্রী পাপড়ি বসু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম টুটুল, জেলা পিপি জহিরুল ইসলাম সেলিম, ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ রুহুল আমিন, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ জামাল নাসের, কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র জমির উদ্দিন খান জম্পি, জাগ্রত মানবিকতার সাধারণ সম্পাদক তাহসিন বাহার সূচনা, কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতিক উল্যাহ খোকন, বিএমএ কুমিল্লার সভাপতি আতাউর রহমান জসিমসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।সর্বশেষ বক্তব্য দেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার।

বক্তব্যে এমপি বাহার বলেন, কুমিল্লার উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র চলছে। অনেক চক্রান্ত হয়েছে, এরপরও আমি কুমিল্লাকে এগিয়ে নিচ্ছি। খুনি মোশতাকের উত্তরসূরিরা কুমিল্লার উন্নয়ন চায় না। এই টাউন হল পুরাকীর্তিতে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এখানে আধুনিক টাউন হল নির্মাণ হবেই।

গণশুনানিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুল মান্নান ইলিয়াসের সভাপতিত্বে বিশেষজ্ঞ কমিটির ১৩ সদস্যসহ প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক আবদুল হান্নান মিয়া শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন। শুনানিতে কুমিল্লার শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতিসহ বিভিন্ন মহলের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

গণশুনানির সভাপতি ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুল মান্নান ইলিয়াস জানান, আমাদের বিশেষজ্ঞ কমিটির মতামত চেয়েছেন মন্ত্রণালয়। আমরা একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগুচ্ছি। ওই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই গণশুনানি। আমরা কমিটির সদস্যরা গণশুনানি শুনলাম, আমাদের আরও প্রক্রিয়া রয়েছে। সবগুলো মিলিয়ে তারপর মন্ত্রণালয় ও সরকার সিদ্ধান্ত নেবে টাউন হলকে পুরাকীর্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে নাকি ভেঙে আধুনিকায়ন করা হবে।