ঢাকা, আজ শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

বিলুপ্ত নগর কীর্তন আবার ফিরিয়ে আনলো বরুড়ার দূর্গাপুর ও নলুয়া চাঁদপুরের হিন্দু ধর্মাবলম্বী যুবরা

প্রকাশ: ২০২০-১০-৩০ ১২:২৫:২১ || আপডেট: ২০২০-১০-৩০ ১২:২৫:২১

সৌরভ লোধঃ

কালের যাত্রায় আমাদের অনেক ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিই বিলুপ্ত হয়ে গেছে আবার কিছু কিছু সংস্কৃতি আজ বিলুপ্তির পথে।নগর কীর্তনও এমন একটি ধর্মীয় সংস্কৃতি যার আলো বর্তমানে প্রদীপের মিটি মিটি আলোর মতোই বলা যায়।
সেই আলো যাতে না নিভে যায়,প্রদীপের আলোই যাতে তরুন দের পথ দেখায় সেই লক্ষেই কাজ করছে বরুড়া লক্ষীপুর ইউনিয়নের দুটি হিন্দু সংগঠন।

বরুড়ার দূর্গাপুর ও নলুয়া চাঁদপুরে দূর্গাপুর যুব হিন্দু সংঘ ও নলুয়া চাঁদপুর রাধাকৃষ্ণ সংঘের সদস্যগন মিলে শুক্রবার ভোরে নগর কীর্তনের আয়োজন করেন।
অনেক গ্রামে এ কীর্তন অনেক আগেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিছু কিছু গ্রামে শুধুমাত্র নিয়ম রক্ষার নিমিত্তেই কোনোমতে পালন করা হয়।

বাংলা কার্তিক মাসের ১ তারিখ হতে কার্তিক সংক্রান্তি পর্যন্ত সারা মাসব্যাপী সন্ধ্যা/ভোরে শিশু, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধসহ পুরুষ ভক্তবৃন্দ মৃদঙ্গ (কুল), কাঁসর (জাঞ্জ), শঙ্খ, করতাল, বাঁশি, হারমোনিয়াম ইত্যাদি বাদ্যবাজনাসহ পাড়া/মহল্লা/গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধর্মীয় বিভিন্ন গানসহ কৃষ্ণ নামে নগর কীর্তন করে থাকেন।

কীর্তন নিয়ে প্রত্যেক বাড়িতে আসার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে পূজামণ্ডপ বা দেব মন্দিরের সামনের তুলসী গাছের বেদিতে মোম, আগরবাতি বা ধূপ ও দীপ জ্বালিয়ে দেন মহিলারা। আর সংকীর্তন দল বাড়িতে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির বউ-ঝিয়েরা মিলে উলুধ্বনি (জয়ধ্বনি বা মঙ্গল ধ্বনি) দিয়ে থাকেন।