ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০

কুমিল্লায় স্থিতিশীল পেঁয়াজের বাজার,সচেতনতায় কমেছে ক্রেতা

প্রকাশ: ২০২০-০৯-১৮ ০৯:৩০:২৫ || আপডেট: ২০২০-০৯-১৮ ০৯:৩০:৪৯

আজ শুক্রবারেও (১৮ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার পাইকারি ও খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৭০-৮৫ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৫৫-৬২ টাকা দরে। তবে, বাজারে এই পণ্যের ক্রেতা নেই বললেই চলে।

দাম বাড়ানোর কারসাজিতে প্রশাসনের হুঁশিয়ারি ও জেলা প্রশাসনের অভিযানের ফলে গত দু’দিনের মতো শুক্রবারও (১৮ সেপ্টেম্বর) কমতির দিকে পেঁয়াজের দাম।কুমিল্লার অন্যতম বাজার রাজগঞ্জ বাজারে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা দরে, দেশি হাইব্রিড ৭৫ ও আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬২ টাকা দরে।

তবে দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতা কমেছে বলে জানান খুচরা ব্যাবসায়ীরা।

রাজগঞ্জ বাজারের এক মুদি দোকানি প্রতিবেদককে জানান, তারা প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজের দাম চাচ্ছেন ৮০ টাকা। রপ্তানি বন্ধের খবরে প্রথম দিকে যেমন কেনাকাটার ভিড় ছিল এখন তেমন নাই।

তবে বাজার তদারিকতে আসা কর্তৃপক্ষ অনেক সময় কোন কিছু না শুনেই তাদের জরিমানা করেন বলে অভিযোগ তাদের। তাদের দাবি, তারা প্রতিদিন প্রতিদিন কিনে প্রতিদিন বিক্রি করেন। খুচরা বাজারে এসে সিন্ডিকেট করার সযোগ তাদের নাই। তারা কেজিতে দুই এক টাকা লাভ করেন।

বাজারে দেশি বা আমদানি করা, কোন পেঁয়াজেরই এখন পর্যন্ত ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন আড়তদাররা।

তাদের অভিযোগ, ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বাড়ছে বা রপ্তানি বন্ধের খবরে দেশি পেঁয়াজের বড় ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ বিক্রি করা বন্ধ করে দিয়েছে। সরকার ভারত ছাড়া অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করলে এমনটা হওয়ার আশঙ্কা আর থাকবে না বলেও মনে করেন তারা।

তাদের অভিজ্ঞতা, এখন মানুষজন যেভাবে কিনছেন এভাবে দরকার মতো কিনলে পেঁয়াজের কোন সংকট হবে না। আর যদি আতঙ্কিত হয়ে ভোক্তাদের যেখানে দরকার ১ কেজি যদি কিনেন ২০ কেজি তাহলে বাজারে বর্তমান যোগানের চেয়ে দ্বিগুন হলেও পেঁয়াজের সংকট তৈরি হবে।