ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০

কুমিল্লায় যুবদল নেতা তৌহিদ হত্যার দায়ে আরেক যুবদল নেতার ফাঁসি

প্রকাশ: ২০২০-০৯-০৯ ১২:৫৬:৪৫ || আপডেট: ২০২০-০৯-০৯ ১২:৫৬:৪৫

নাফিউ জামানঃ

কুমিল্লা মহানগর যুবদলের ৩ নং ওয়ার্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম তৌহিদ ইসলাম ওরফে সোহেল হত্যা মামলার প্রধান আসামী যুবদল কর্মী আহসান হাবিবকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন।

একই সঙ্গে এই অপরাধে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে এই মামলার অপর দুই আসামি আহসান হাবিবের বড় ভাই কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মোস্তফা জামান ও আহসান হাবিবের সহযোগী শাহেদ হাসানকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার বেলা ১১ টায় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন এই রায় দেন।

মামলার বাদী নিহত এস এম তৌফিকের স্ত্রী বদরুন নাহার বাকি দুই আসামীকে খালাস দেয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উচ্চ আদালতে আপিল করার ঘোষণা দেন।

জানা যায়,২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টায় কুমিল্লা নগরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রেইসকোর্স এলাকায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের এক মতবিনিময় সভা হয়। ওই সভার শেষ সময়ে কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য আহসান হাবিব ওরফে মিঠু এবং ওই ওয়ার্ডের যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম তৌহিদ সোহেলের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সোহেলের বুকের বাঁ ও ডান পাশে ছুরিকাঘাত করেন আহসান হাবিব ও তাঁর সহযোগীরা।

পরে সোহেলকে তাঁর সহযোগীরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে কুমিল্লার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ও পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সোহেলকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী বদরুন নাহার লুনা বাদী হয়ে কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় ওই দিন রাতেই কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য আহসান হাবিব ওরফে মিঠু এবং তাঁর বড় ভাই কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মোস্তফা জামানের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জনের নামে হত্যা মামলা করেন।

দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর পর এ মামলার রায় হলো। রায়ে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আলী আক্কাস সন্তোষ প্রকাশ করেন।