ঢাকা, আজ বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০

আজ থেকে খুলছে কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্র

প্রকাশ: ২০২০-০৮-১৭ ১৩:২০:০৮ || আপডেট: ২০২০-০৮-১৭ ১৩:২০:০৮

ডেস্ক রিপোর্টঃ

অবশেষে আজ থেকে খুলছে কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্র। করোনা পরিস্থিতিতে গত ৫ মাস ধরে সৈকতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। একই সঙ্গে বন্ধ ছিল সব পর্যটনকেন্দ্র, হোটেল মোটেল, রেস্তোরাঁ, বার্মিজ দোকানসহ সব ধরনের পর্যটন ব্যবসা। এতে কয়েক হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি জেলা চেম্বারের। এখন সৈকত উন্মুক্তসহ সবকিছু সীমিত আকারে খুলে দেওয়ার ঘোষণায় ক্ষতি কাটিয়ে উঠার স্বপ্ন দেখছেন ব্যবসায়ীরা।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত শহর কক্সবাজার। এক সময় ৩ মাস বা ৪ মাস বলা হতো পর্যটন মৌসুম। কিন্তু এখন সাগর, পাহাড়, উত্তাল সাগরের বিশাল বিশাল ঢেউ এবং প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে পুরো বছর জুড়েই আনাগোনা থাকে পর্যটকের। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে থমকে যায় পর্যটন খাত। বন্ধ করে দেওয়া সৈকতে প্রবেশ, হোটেল মোটেল, রেস্তোরা, বার্মিজ দোকান, পর্যটন কেন্দ্রসহ সব ধরনের পর্যটন ব্যবসা। এতে ক্ষতি হয় কয়েক হাজার কোটি টাকা। তবে দীর্ঘ ৫ মাস পর সৈকত উন্মুক্ত করে দেয়ার পাশাপাশি সীমিত আকারে সবকিছু খুলতে যাওয়ায় আশায় বুক বাঁধছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

তারা জানান, বিগত পাঁচ মাস ধরে আমাদের অবস্থা খুবই খারাপ ছিলো। ধার নিয়ে চলেছি। যদি সবকিছু খুলে দেয়া হয়; আশা করি ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারবো।ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে, তবে পর্যটক আসা অব্যাহত থাকলে এর সাথে জড়িত অন্তত লাখ খানেক মানুষ ভালভাবে চলতে পারবে বলে আশা পর্যটন সংশ্লিষ্টদের।

কক্সবাজার হোটেল অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র সরওয়ার হাসান বলেন, আমাদের যেটা ক্ষতি হয়েছে; সেটা পুষিয়ে নেয়া সম্ভব না। কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সাধারণ আবুল কাশেম সিকদার বলেন, কিছু সংখ্যক পর্যটক আসে তাহলে আমাদের কর্মচারীদের বেতন ভাতা দিতে পারবো।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, সীমিত আকারে খুলে দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে তারা যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানে তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।