ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০

বরুড়ায় কৃষকদের মাথায় হাত, নতুন রোগে জমির ফসল হলুদ বর্ণ

প্রকাশ: ২০২০-০৬-২৮ ১১:৩৭:৫৫ || আপডেট: ২০২০-০৬-২৮ ১১:৩৭:৫৫

সৌরভ লোধঃ

দেশের নতুন আতঙ্কের নাম এখন করোনা ভাইরাস।আর সেই করোনার প্রভাবে দেশের রেডজোন এরিয়া গুলো লকডাউন জারি করা হয়েছে। লকডাউন জারি করায় মাথায় হাত পড়েছে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষদের,তার উপর নতুন আতঙ্ক এখন হঠাৎ জমির ফসল হলুদ বর্ণ হয়ে ধান গাছ মারা যাওয়া।

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ১৪নং লক্ষীপুর ইউনিয়নের প্রায় সকল ওয়ার্ডের প্রায় সব জমিতেই নতুন রোগে ধান গাছ হলুদ বর্ণ হয়ে মারা যাচ্চে। করোনা কালীন সব থেকে খারাপ অবস্থায় আছেন গ্রামের কৃষকরা।

গৃহবন্দী সবাই, নেই কোন কাজ, তাই আয়েরও পথ বন্ধ। জীবন রক্ষার শেষ সম্ভল জমির ফসল। এখন সেটাও যাওয়ার পথে। একদিকে অনাবরত বৃষ্টি, অন্য দিকে ইঁদুরের উপদ্রব বৃদ্ধি ,তারউপর আরেক নতুন আতঙ্ক অচেনা রোগে ধান গাছের পাতা হলুদ হয়ে গাছ মরে যাওয়া।

ইউনিয়নের নলুয়া চাঁদপুর গ্রামের প্রায় সকল কৃষক আতঙ্কের মধ্যে আছেন, এই নতুন রোগ নিয়ে। এই রোগে ইউনিয়নের সব থেকে খারাপ অবস্থায় আছে এই গ্রামটি। গ্রামের কৃষকদের দাবী উপজেলা ও ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তারা তাদের সমস্যার কথা শুনেও চুপ করে আছেন। তারা আরো বলছেন,এই সময় ফোনের মাধ্যমে সমস্যার কথা বলা লাগছে,কিন্তু কোন কৃষি কর্মকর্তা সরজমিনে আসছেন না।

এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাছে সমস্যার কথা খুলে বললে তিনি ফোনে যে সকল কীটনাশক দিতে বলেন,সেগুলা অনেক আগেই কৃষকরা দিয়ে পেলেছে।
তাই হতাশ হয়ে আরো উচ্চপদের কারো সহযোগিতা চাচ্ছে সবাই।

কৃষকরা ফসল খ্যাতে হাজার হাজার টাকা লোকসান দিতেছে। সার দোকানদারদের পরামর্শ নিয়ে নানা রকম কীটনাশক ব্যবহার করছে, এতে কোন প্রতিকার পাচ্ছেনা। তাই গ্রামের সকল কৃষকের দাবী উপজেলা উচ্চ পদের কৃষি কর্মকর্তাদের জরুরি সরজমিনে এসে কৃষকের সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছে।

অন্যথায় ১৪ নং লক্ষীপুর ইউনিয়নের হাজার হাজার কৃষক ঘরে ফসল তুলতে না পারলে ঋণের দায়ে পরিবার নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়বে।