ঢাকা, আজ বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০

ক্ষমা করো বাংলাদেশ

প্রকাশ: ২০২০-০৬-০৭ ১৭:১০:০২ || আপডেট: ২০২০-০৬-০৭ ১৭:১০:০২

আবুল বাশার, দেবিদ্বার

আমি যাকে নিয়ে কথা বলবো তিনি আমাদের সকলের পরিচিত
করোনা যুদ্ধের হিরো” ডা. ফেরদৌস খন্দকার। করোনা মহামারীর এই দু:সময়ে এলাকা ও দেশের মানুষের পাশে থাকতে চান তিনি।

শনিবার একটি বিশেষ ফ্লাইটে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে যখন তিনি ঢাকায় আজ ল্যান্ড করলেন ঠিক তখনই একদল কু-চুক্র মহল নিমিষেই তার বিরুদ্ধে লেগে যায় এবং তার স্বপ্নটাকে ধুলিৎসাত করে দেয়।

তখন কান্না ঝরা কন্ঠে ডা. ফেরদৌস বলেন
বুক ভরা আশা নিয়ে এসেছিলাম মা তোমার পাশে থাকবো বলে।
মনে হয় এয়ারপোর্ট থেকেই অজানা উদ্দেশ্যে সব শেষ করে দিলো ওরা….

প্রিয় বাংলাদেশ। দেশে এসেছিলাম নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে করোনা নিয়ে সবার পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করতে। তার জন্যে জীবনের ঝুঁকি নিতেও আমি পিছপা হইনি।
যখন ভালো উদ্দেশ্য নিয়ে আমি দেশে এসেছি, তখন একদল লোক আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার শুরু করেছে।

বলা হচ্ছে, আমি নাকি খুনি খন্দকার মোশতাকের ভাতিজা কিংবা খুনি কর্ণেল রশিদের খালাতো ভাই। অথচ পুরো বিষয়টি কাল্পনিক। আমার বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বারে। কুমিল্লায় বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষের বাড়ি। কুমিল্লা বাংলাদেশের একটি সনামধন্য জেলা। কুমিল্লায় বাড়ি হলেই কেউ খুনি মোশতাকের ভাতিজা কিংবা কর্নেল রশিদের খালাতো ভাই হয়ে যায় না।

আমি স্পষ্ট করে বলছি, এই দুই খুনির সাথে আমার পারিবারিক কিংবা আদর্শিক কোন সম্পর্ক নেই। বরং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে আমি ,তাদেরকে চরম ঘৃণা করি। ফলে যারা এই খারাপ কথাগুলো ছড়াচ্ছেন, বলছেন, তাদের উদ্দেশ্য পরিস্কার; ভালো কাজে বাধা দেয়া। এটা অন্যায়। আমি তীব্র প্রতিবাদ ও ঘৃণা জানাচ্ছি। সেই সাথে প্রমাণের জন্যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছি। যদি মনে করেন আমার সেবা আপনাদের দরকার, তাহলে পাশে থাকুন।