ঢাকা, আজ শনিবার, ১৯ জুন ২০২১

নাঙ্গলকোটে নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, টাকা দিয়ে সমঝোতার চেষ্টা অতঃপর থানায় মামলা

প্রকাশ: ২০২১-০৪-১৯ ০৪:৫০:৫৩ || আপডেট: ২০২১-০৪-১৯ ০৪:৫০:৫৩

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ডের মাধবপুর গ্রামের স্থানীয় চা দোকানদার আব্দুল মান্নানের মেয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে একই গ্রামের রবিউল হোসেন মজুমদারের ছেলে কাউসার মজুমদার তাদের মাছের প্রজেক্টের সেলো মেশিন ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা যায় গত ১২ এপ্রিল রবিবার রাত আনুমানিক ২ টার সময় ঐ ছাত্রী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে উৎপেতে থাকা লম্পট কাউসার মুখ চেপে ধরে তার মৎস্য প্রজেক্টের সেলো মেশিন ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। কিছুক্ষণ পর চিৎকার শুনে মেয়েটির বাবা ও মা গিয়ে দেখতে পায় তার মেয়েকে বিবস্ত্র অবস্থায়, এবং লম্পট কাউসার তাদের পায়ে ধরে ক্ষমা চায়। ওই নিরীহ পরিবারটি কাউসারের পরিবারের কাছে তাদেরকে নিয়ে যান এবং বিষয়টি খুলে বলেন, কাওছারের পরিবার থেকে জানান বিষয়টা এমন কিছু নয়, এটা ছেলে-মেয়ের ব্যাপার এমনটাই হতে পারে, পরে সামাজিকভাবে সমঝোতার চেষ্টা করেন, ওই ভুক্তভোগীর পরিবার সুস্থ বিচার না পেয়ে গত বৃহস্পতিবার নাঙ্গলকোট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেন। এবং মেয়েটির বাবা বলেন ওই গ্রামের অ্যাডভোকেট পড়ুয়া আহসানুল্লার নেতৃত্বে কাওছারের পরিবার থেকে ৬৫হাজার টাকা লেনদেন করেন মামলাটি ক্লোজ করার জন্যে।

সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাউসারের বড় ভাই কাদের ক্ষিপ্ত হয়ে এক সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিতে চান।পরে বিভিন্নভাবে সাংবাদিকদের ম্যানেজ করারচেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে ধর্ষিতার বাবা বলেন আমি গরিব বলে কি এদেশে বিচার পাব না ,আমি তাদের কাছে বহু বার গিয়েছি বিচারের জন্য ,কিন্তু তারা আমাকে মানুষই মনে করে নাই ।গরীব হলে মনে হয় এমনই করতে হয়। তারা আমাকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করেন।
আমি মাননীয় অর্থমন্ত্রী লোটাস কামাল ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই ধর্ষণের বিচার দাবি করছি।

মামলার আইও মফিজুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং মেয়েটির মেডিকেল টেস্ট করা হয়েছে। আমরা দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।