ঢাকা, আজ রোববার, ২০ জুন ২০২১

বরুড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বসত বাড়ীতে হামলা ও ভাংচুর আহত ৩

প্রকাশ: ২০২১-০৪-১৮ ১৪:৪৯:৪৫ || আপডেট: ২০২১-০৪-১৯ ১১:২১:০৮

বরুড়া প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার বরুড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সেনা সদস্য কর্তৃক নিরীহ পরিবারের বাসত বাড়ীতে হামলা ভাংচুরের ঘটনায় ৩ ব্যাক্তি আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরুড়া থানায় অভিযোগ সুত্রে জানা যায় গত ১৬ এপ্রিল দুপুরের পর উপজেলার ৪নং দক্ষিন খোশবাস ইউনিয়নের কালামুড়ি গ্রামের (ভুইঁয়া বাড়ীর) বাসিন্দা আবদুল মান্নান ভুইয়া এর ছেলে মোঃ এরশাদুল (বাদী) এর সাথে প্রতিবেশী সফিকুর রহমান ভুঁইয়া এর ছেলে সেনা সদস্য মোঃ আবদুল হালিম ভুইয়া, মোঃ সবুজ হোসেন, আরিফুর রহমান ভুঁইয়া, মোঃ আবুল হোসেন এর ছেলে মোঃ শাওন, মৃত সিরাজুল ইসলাম ভুইয়া, এর ছেলে মোঃ অহিদুল ইসলাম ভুইয়া, মোঃ আলম এর ছেলে মোঃ শাহপরান, মোঃ ফয়সাল হোসেন, মোঃ দুলাল মিয়ার ছেলে মোঃ রাকিব হোসেন গং দের বহু আগ থেকে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। মামলার বিবাদী মোঃ আবদুল হালিম ভুইয়া যখনই ছুটিতে বাড়ীতে আসে তখনই সেনা বাহিনীতে চাকুরির প্রভাব দেখিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দলবল ও অন্যান্য লোকবল দিয়ে নিরীহ বাদী পক্ষকে বিভিন্ন হুমকি ধমকি দিয়ে আসতেছে, এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন দুপুরে (বাদী) মোঃ এরশাদুল শারিরীক অসুস্থতা ও অন্যান্য সমস্যার কারনে রোজা না রাখার কারনে সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে বিবাদী লোক দিয়ে তাকে ডেকে নিজ ঘরে নিয়ে মোঃ আবদুল হালিম ভুইয়া অন্যান্য সহযোগীদের সহায়তায় আটক করে বেধরক মারধর করে। তখন শোর চিৎকার শোনে ঘটনার স্থলে আশপাশের লোকজন উপস্থিত হয়ে ঘটনার স্থান থেকে উদ্ধার করে।

মারধরের কারনে বাদীর চাচাতো ভাই সোহাগ এবং তার স্ত্রী মুক্তা বেগম এদিন সন্ধায় প্রতিবাদ করতে গেলে সেনা সদস্য মরিয়া হয়ে অন্যান্য আসামীদের সহযোগিতায় দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র, লোহার রড, ও লাঠি সোঠা, দিয়ে, মোঃ সোহাগ হোসেন এর স্ত্রী, (ভিকটিম) মুক্তা বেগমের মাথায় মারাত্মক ভাবে আগাত করে, এবং দলবদ্ধ হয়ে বাদী পক্ষের বসত বাড়ীতে হামলা ভাংচুর চালায় এবং ঘরের প্রয়োজনীয় আসবাব পত্র, ও মুল্যবান জিনিস পত্র ভাংচুর করে ক্ষতি সাধন করে পাশাপাশি বাদী পক্ষ বাদা সৃষ্টি করলে এতে ৩ জন আহত মারাত্মক ভাবে আগাত পায়, এসময় ঘটনার স্থান ত্যাগ করার প্রাক্কালে বাদী পক্ষের মোঃ সোহাগ হোসেন এর দোকান সহ ৩ টি ঘরে ভাংচুর চালায় ও লুটপাট করা হয়। পরবর্তীতে পুনরায় হামলার প্রস্তুতি কালে এলাকাবাসীর বাদার মুখে পন্ড হয়ে যায়। ঘটনার পর স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আহতদের স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পল্লী চিকিৎসকের স্বরনাপন্ন হয়।

আহতদের চিকিৎসা ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের জানানোর পর থানায় অভিযোগ করতে বিলম্ব হয়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী মোঃ জহুরুল আলম, রাসেল হোসেন, স্থানীয় ইউপি মেম্বার সহ অন্যান্যরা ঘটনার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবি করেন।

বিবাদী (সেনা সদস্য) মোঃ আবদুল হালিম ভুইয়া এর সাথে যোগাযোগ করলে এ বিষয়ে তিনি বিভিন্ন কারন দেখিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয় নি। ঘটনার বিষয়ে বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন অভিযোগ হাতে পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত হচ্ছে রিপোর্ট হাতে ফেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।