ঢাকা, আজ শনিবার, ১৯ জুন ২০২১

কুমিল্লার কৃতিসন্তান মিজানুর রহমান আজহারীর প্রথম বই প্রকাশিত হচ্ছে

প্রকাশ: ২০২১-০৪-০২ ১০:৪০:৩৫ || আপডেট: ২০২১-০৪-০২ ১০:৪৬:২০

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার কৃতিসন্তান জনপ্রিয় বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর ২ এপ্রিল শুক্রবার তার ভেরিফাই কৃত ফেইসবুক পেইজে লেখেন

আলহামদুলিল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন।

২০২১ সালের একুশে বইমেলায় আমার প্রথম বই ‘ম্যাসেজ : আধুনিক মননে দ্বীনের ছোঁয়া’—শিরোনামে গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত হচ্ছে, ইনশাআল্লাহ। নিজেকে বাংলা সাহিত্য দুনিয়ায় যুক্ত করতে পেরে ব্যক্তিগতভাবে আমি খুবই আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত।

গল্পের শুরুটা যেভাবে…
গত সাত বছরের দাওয়াতি অভিযাত্রায় অনেক দ্বীনি ভাই-বোন আমার কাছে লিখিত বইয়ের দাবি জানিয়েছেন। আলোচনা শোনার পাশাপাশি শ্রোতাদের বড়ো একটা অংশ পড়তে ভালোবাসেন। তা ছাড়া ইন্টেলেকচুয়াল সার্কেলে বই ও সাহিত্যের একটা আলাদা আবেদন আছে। সাহিত্যাঙ্গনে একজন দাঈ চাইলেই তার লেখালিখির মাধ্যমে স্থায়ী কিছু বার্তা ছড়িয়ে দিতে পারেন। দাওয়াহর সাহিত্যিক প্রেজেন্টেশনও বেশ কার্যকর ও টেকসই।

এই ভাবনাগুচ্ছ থেকেই লেখালিখির প্রাথমিক আগ্রহটা তৈরি হয়। তা ছাড়া গতবছর লকডাউনের সময়টাতে ফেসবুকে মাঝে মাঝে সময়সাময়িক বিষয়ে স্ট্যাটাস লিখতাম। এরই মাঝে অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী বন্ধু লিখতে অনুপ্রেরণা জোগান। একপর্যায়ে সিদ্ধান্ত নিই—বক্তৃতার পাশাপাশি কথামালা ও ভাবনাগুলো জাতির কাছে সাহিত্যাকারে উপস্থাপন করার।

সারা দেশে বিভিন্ন সময়ে আমি থিমেটিক কিছু আলোচনা করেছি; গ্রন্থের প্রতিটি লেখায় সেসব আলোচনার নোটই প্রাথমিক সোর্স। পরবর্তীতে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সন্নিবেশ শেষে নতুন আঙ্গিকে গ্রন্থটির জন্য সর্বমোট ১২টি স্বতন্ত্র বার্তা তৈরি করেছি। এই ১২টি বার্তা নিয়েই আমার নতুন পথ-পরিক্রমা। প্রচ্ছদেই শোভা পাচ্ছে ‘You have 12 unread messages’। আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের আলোকে উম্মাহর সামনে ১২টি ম্যাসেজ তুলে ধরেছি। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি পাঠক ফিডব্যাকের।

বইটিতে সব ধরনের বাহুল্য পরিহার করে সহজ-সাবলীল ভাষায় কথামালা উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে, যেন সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ পড়তে স্বস্তি অনুভব করে। বিশেষভাবে খেয়াল রেখেছি-তরুণ ও কনভেনশনাল শিক্ষায় শিক্ষিত লোকজনের বোধ উপযোগী করে তুলতে। সকল ধর্ম, বয়স, শ্রেণি-পেশার পাঠক নিজেদের সাথে বইটিকে কানেক্ট করতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাস। আদতে আমি লেখক নই; বলাটাই আমার স্বাচ্ছন্দ্যের জায়গা। তবে আমি আমার মতো করে চেষ্টা করেছি।

বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের নিকট ইসলামের মূল তাৎপর্য, সৌন্দর্য, স্পিরিট ও মধ্যমপন্থার শিক্ষা তুলে ধরতে বইটি কিছুটা হলেও অবদান রাখবে বলে আশা করছি। আধুনিক মননে দ্বীনের ছোঁয়া লাগাতে বইটিকে আল্লাহ তায়ালা কবুল করুন। আমি কৃতজ্ঞ প্রতিশ্রুতিশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্সকে পাশে পেয়ে। পুরো গার্ডিয়ান টিম দুর্দান্ত পরিশ্রম করেছে। আল্লাহ তায়ালা তাদের উত্তম বিনিময় দিন।

আমার কথা এখানেই শেষ। বাকিটা বই পড়ে আপনারা বলবেন। গল্পের শেষটা আপনাদের কাছ থেকেই শুনতে চাই।

বইটির অগ্রিম অর্ডার নেওয়া হবে ‘রকমারি ডটকম’সহ দেশের সকল অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে।