ঢাকা, আজ রোববার, ২০ জুন ২০২১

চান্দিনা পৌর নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পরই দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ

প্রকাশ: ২০২০-১২-৩০ ১৪:২৫:৪৪ || আপডেট: ২০২০-১২-৩০ ১৪:২৫:৪৪

 

চান্দিনা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার চান্দিনা পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পরপরই দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ৭ জন আহত হয় এবং প্রচারনার কাজে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিক্সা ও মাইক ভাংচুর।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রতীক বরাদ্দের পর বিকেলেই পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড (ছায়কোট) এলাকায় আওয়ামীলীগ সমর্থিত দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ওই সংঘর্ষ হয়।

আহতরা হলেন- ছায়কোট গ্রামের কালু মিয়ার ছেলে ফুল মিয়া (২২), আলী আরশাদ এর ছেলে আল-আমিন (২৫), কাউন্সিলর আব্দুস ছালাম এর ছেলে জাহিদ (২০), সাহেব আলীর ছেলে ছাদ্দাম হোসেন (৩০), আবুল হাসেম এর ছেলে বিল্লাল হোসেন (৩৫), বুড়িচং উপজেলার হাসনাবাদ গ্রামের সিরাজুল ইসলাম এর ছেলে আশিকুর রহমান (৩০), মুরাদনগর উপজেলা বাবুটিপাড়া গ্রামের জাকির হোসেন এর ছেলে মিশু সরকার (২৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- পৌরসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় চান্দিনা পৌরসভার তফসিল ঘোষনার পর বর্তমান কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস ছালাম মনোয়নপত্র জমা দেন। এসময় পৌর আওয়ামীলীগ ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক আলী হোসেনও প্রার্থী হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। ২৮ ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামীলীগ ৭নং ওয়ার্ড থেকে আব্দুস ছালামকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দেয়। বিদ্রোহী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যহারের জন্য নির্দেশ দেয়। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হন আওয়ামীলীগ নেতা আলী হোসেন। ৩০ ডিসেম্বর প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর তাদের সমর্থকরা এলাকার মিছিল দেয়।
উটপাখি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুস ছালাম জানান- আমার লোকজন প্রচারণা করার সময় আমার প্রতিপক্ষ প্রার্থীর লোকজন তাদের প্রতীকের কথা উল্লেখ করে মিছিল দেয়। তার কিছুক্ষণ পর আমার প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিক্সা ও মাইক ভাংচুর করলে আমার লোকজন বাঁধা দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার লোকজনের উপর হামলা করে। এতে আমার ছেলেসহ ৩জন আহত হয়।

ডালিম প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী আলী হোসেন জানান- প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে আমার লোকজন মিছিল নিয়ে প্রচারণায় গেলে আমার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আব্দুস ছালাম এর লোকজন আমার লোকজনের উপর অতর্কিত হামলা করে। এতে আমার ৪জন সমর্থক গুরুতর আহত হয়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার প্রার্থনা করছি।

এ ব্যাপারে চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) শামসউদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান- ঘটনার পরপর আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। যদি করে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।